কিভাবে একটি ব্লগার বা blogspot সাইটকে গুগল সার্চ ইঞ্জিনে উচ্চতর র্যাঙ্কে আনবেন
জেনে অবাক হতে হয় গুগল ব্লগার প্ল্যাটফর্মের মালিক হওয়া সত্ত্বেও, এই সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট সার্চ র্যাঙ্কিংয়ে ব্লগস্পট ব্লগগুলিকে অগ্রাধিকার দেয় না। উচ্চতর র্যাঙ্ক করার জন্য, আপনাকে অবশ্যই একটি দরকারী, তথ্যবহুল ওয়েবসাইট তৈরি এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য Google এর নিয়মগুলি অনুসরণ করতে হবে। আপনার blogspot ব্লগের মান যত বেশি হবে, তত বেশি র্যাঙ্ক হবে। blogger কে ভালো র্যাঙ্কিং পাবার জন্য কোনও নির্দিষ্ট সূত্র নেই, তবে গুগল এমন ব্লগগুলিকে উচ্চতর র্যাঙ্কিং দেয় যা ব্যাকরণ, আপডেটের ফ্রিকোয়েন্সি, পোস্টের দৈর্ঘ্য এবং ব্যাকলিঙ্কগুলির জন্য নির্দিষ্ট মানের মানদণ্ড পূরণ করে। এবার আসুন কিছু ধাপ সম্পর্কে জেনে নিই।
ধাপ ১
আপনি যদি এডসেন্সের ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনার ভুল হবে বিজ্ঞাপনের সংখ্যা সেহেতু করতে হবে। যদি আপনি কনটেন্টের থেকে অর্থাৎ প্রয়োজনীয় লেখার চেয়ে বেশি বিজ্ঞাপন আপনার ওয়েবসাইটে দেখা তাহলে এটা রেংকিংয়ে বাধা দেয় যেমন লিঙ্গভিত্তিক বিজ্ঞাপন এবং এফিলিয়েট লীগ সহ বিজ্ঞাপনগুলি।
ধাপ ২
আপনি যেহেতু মানুষ তাই বানানে টুকটাক ভুল থাকতেই পারে। সুতরাং আপনার উচিত- যে প্রবন্ধগুলো আপনি লিখেছেন সেগুলোকে যাচাই করা এবং তার ব্যাকরণ ত্রুটিগুলো সংশোধন করা। এতে পাঠকের যেমন পড়তে সুবিধে হয়, তেমনি এগুলো google এ রেংকিং করতেও বেশ কাজে লাগে।
ধাপ ৩
আপনার পোস্টের দৈর্ঘ্য কমপক্ষে ৩০০ শব্দে বৃদ্ধি করুন। সংক্ষিপ্ত পোস্টগুলি কম তথ্যবহুল হিসাবে বিবেচিত হয়। সম্ভব হলে প্রতিটি আর্টিকেলে পিকচার ব্যবহার করুন।
ধাপ ৪
কীওয়ার্ড বেশি ব্যবহার করবেন না। গুগল SEO এর চেয়ে আর্টিকেলের গুণমানের দিকে বেশি মনোনিবেশ করে। SEO এক্সপার্টরা মনে করেন ভাল এসইও জন্য প্রতি ১০০-১৫০ শব্দে একবার কীওয়ার্ডের ব্যবহার করাটা উত্তম। প্রয়োজনে আপনি দুইবার key-word প্রয়োগ পারেন। তবে সেটা প্রয়োজনে।
ধাপ ৫
আপনার প্রবন্ধ এমন বিষয় গুলো সম্বন্ধে লিখুন যা দর্শকদের জন্য দরকারী। দরকারী কন্টেন্ট আপনার ব্লগে ভিজিটরদের বেশিদিন ধরে রাখে, যা আপনার গুগল র্যাঙ্কিং উন্নত করে।
ধাপ ৬
যখন আপনি আর্টিকেল প্রবন্ধে ইমেজ ব্যবহার করবেন তখন অবশ্যই ইমেজ টাইটেল এবং alt যোগ করবেন। কারণ এগুলোকে বলা হয় টেক্সটের বিকল্প।
ধাপ ৭
ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট পাবলিশ করবেন না। গুগল ডুপ্লিকেট কন্টেন্টযুক্ত ব্লগের চেয়ে মূল কন্টেন্টযুক্ত ব্লগগুলিকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে।
ধাপ ৮
প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার নতুন পোস্ট তৈরি করুন। সহজ ভাবে বলতে গেলে- নিয়মিত আপডেট হওয়া ব্লগগুলি এলোমেলোভাবে বা কম ঘন ঘন আপডেট হওয়া ব্লগগুলির চেয়ে বেশি র্যাঙ্ক করে।
আপনি যদি একজন ব্লগার হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার মাথায় যে বিষয়টি থাকতে হবে, তা হল মানুষ সার্চ ইঞ্জিনে তথ্য খুঁঁজে থাকে, সুতরাং আপনাকে এমন তথ্য নিয়ে প্রবন্ধ লিখতে হবে- যে তথ্যগুলো বর্তমানে ইন্টারনেটে কম রয়েছে।
এমনকি যদি কেউ আপনার পছন্দের বিষয় নিয়ে আপনার আগেই আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকে, তাহলে আপনি তার থেকেও বেশি তথ্য সম্মিলিত আর্টিকেল লিখে পাবলিশ করতে পারেন। অর্থাৎ
আপনার লক্ষ্য থাকবে আপনার প্রতিযোগীদের চেয়ে বেশি তথ্য নিজের আর্টিকেলে সংযুক্ত করা। কারণ- ভিজিটর যেখানে পর্যাপ্ত পরিমাণ বা সঠিক তথ্য পাবে, সেখানেই তারা ভিজিট করবে।
