শুধু জেতার খেলা : মজার অঙ্ক
অঙ্ক চর্চা এমন একটি বিষয়, যার মাধ্যমে মেধা বা জ্ঞান বৃদ্ধি করা যায়। অংক চর্চা শিশুদের মেধাকে তীক্ষ্ণ করে তোলে। সেই সাথে পরিবেশের সঙ্গে তাদের মানানসই করে তোলে। অংক শুধু হিসেব-নিকাশ করার জন্য নয়, এটি হচ্ছে আবিষ্কারের একটি মাধ্যম। যে ব্যক্তি অংকের বিষয়বস্তু এবং সূত্র জানে না, তার কাছে অংক হয়ে ওঠে কঠিন। আর যে অংক নিয়ে গবেষণা করে- তার কাছে অংক মানে একটি মজার বিষয়।
যাই হোক, একটা খেলা খুঁজে বার করেছি। আমি একটা করে সংখ্যা বলবো আর তুমি তার সঙ্গে এক বা দুই যোগ করে আরেকটা সংখ্যা বলবে। তারপর আমিও তাই করবো। তবে দুই-এর বেশি যোগ করা যাবে না। যেমন, আমি হয়তো বললাম, এক। তুমি তখন হয় দুই বলবে, নয়তো তিন তারপর আমি হয় চার বলবো, নয়তো পাঁচ। বুঝেছ? এভাবে সংখ্যাটা বাড়াতে বাড়াতে যে আগে কুড়িতে পৌঁছবে, তারই জিত।
তাহলে আমি শুরু করি-
আমি-২,
তুমি-৪,
আমি-৫,
তুমি-৭,
আমি-৮,
তুমি-১০,
আমি-১১,
তুমি-১২,
আমি-১৪,
তুমি-১৫,
আমি-১৭,
তুমি-১৮,
আমি-২০। - ব্যস্ - জিতে গেছি!
আবার একবার খেলো। এবার তুমি শুরু কর-
তুমি-২,
আমি-৩,
তুমি-৫,
আমি-৬,
তুমি-৮,
আমি-১,
তুমি-১০,
আমি-১১,
তুমি-১৩,
আমি-১৪,
তুমি-১৬,
আমি-১৭,
তুমি-১৮,
আমি-২০।
আবার হেরে গেলে।
- শিখিয়ে দাও না জেতার কায়দাটা।
- ব্যাপার হচ্ছে, যে আগে সতেরোয় পৌঁছতে পারবে, সেই জিতবে। কারণ, আমি সতেরোয় পৌঁছনোর পর তুমি আঠারই বলো কি উনিশই বলো, আমি ঠিক কুড়িতে পৌঁছে যাব। ঠিক একই ভাবে সতেরোয় পৌঁতে হলে, আগে চৌদ্দয় পৌঁছনো চাই। আবার চৌদ্দায় পৌঁছতে হলে তার আগে এগারোয় ও একইভাবে পরপর আট, পাঁচ ও দু'য়ে পৌঁছনো চাই। কাজেই কেউ যদি প্রথমেই দু'ই বলে খেলা শুরু করে আর খেলার কায়দাটা জানে, তাকে আর হারানো যাবে না। সে তখন দুই থেকে পাঁচে, পাঁচ থেকে আটে ও আট থেকে যথাক্রমে এগারো, চৌদ্দ, সতেরো ও শেষ পর্যন্ত কুড়িতে পৌঁছে যাবে।